জানুয়ারিতে বেড়েছে মূল্যস্ফীতি

টিবিটি ডেস্ক
টিবিটি রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১১:৪৭ এএম

গত দুই মাস মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও ফের বেড়েছে জানুয়ারিতে। এ মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৮৬ শতাংশে। এবারে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের প্রভাবে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। নভেম্বরে যে খাদ্য বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৫২ শতাংশ ছিল তা এবার বেড়ে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ভোক্তা মূল্যসূচকের (সিপিআই) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে।

গত ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৪১ শতাংশ। তবে এবার তা কিছুটা বেড়েছে। তবে খাদ্য মূল্যস্ফীতি সামান্য কমে ৯ দশমিক ৫৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

বিবিএসের তথ্যে দেখা যায়, এবার গ্রামের চেয়ে শহর এলাকায় মূল্যস্ফীতি বেশি হয়েছে। জানুয়ারিতে শহর এলাকায় মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৯৯ শতাংশে, ডিসেম্বরে যা ছিল ৯ দশমিক ১৫ শতাংশ। শহরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ হয়েছে। 

এদিকে গ্রামে জানুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৭০ শতাংশে, ডিসেম্বরে যা ছিল ৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ। গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে ৯ দশমিক ৪১ শতাংশে নেমেছে যা ডিসেম্বরে ছিল ৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ। খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ১৯ শতাংশ হয়েছে। যা ৮ দশমিক ৪১ শতাংশ ছিল ডিসেম্বরে।

চলতি অর্থবছর গড় মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশের মধ্যে রাখার লক্ষ্যমাত্রা ছিল সরকারের। কিন্তু ডলার সংকটের কারণে আমদানি করতে না পারায় সংকট আরো বেড়েছে। তবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতি সুদহার বাড়িয়েছে।

মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির জন্য এত দিন মূলত ডলারের মূল্যবৃদ্ধিকে দায়ী করে আসছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন সুদের হার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতি কমানোর চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।