জাবিতে ‘ধর্ষণ’: দুই আসামির জবানবন্দি

টিবিটি ডেস্ক
টিবিটি রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১০:২৮ এএম
গ্রেপ্তার মামুনুর রশিদ মামুন ও মুরাদ হোসেন

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বামীকে আবাসিক হলে আটকে রেখে স্ত্রীকে দল বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় র‍্যাব যাকে প্রধান পরিকল্পনাকারী বলছে, সেই মামুনুর রশিদ মামুন এবং তার সহযোগী মো. মুরাদ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

শুক্রবার তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়ার থানার পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. মিজানুর রহমান তাদের আদালতে হাজির করে জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন। পরে ঢাকার বিচারিক হাকিম মুজাহিদুল ইসলাম তার খাসকামরায় জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়।

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আনোয়ারুল কবীর বাবুল সাংবাদিকদের বলেন, “তারা দুইজন ঘটনার বিবরণ দিয়ে জবানবন্দি দেন এবং নিজেদের সম্পৃক্ততা স্বীকার করেন।”

গত বুধবার মামুনকে রাজধানীর ফার্মগেট এলাকা থেকে এবং মুরাদকে নওগাঁ থেকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।

গত ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ আবাসিক হলে ‘এ’ ব্লকের ৩১৭ নম্বর কক্ষে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে কৌশলে বোটানিক্যাল গার্ডেনে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রলীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, তার পরিচিত মামুনুর রশীদ মামুনসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী ছয়জনকে আসামি করে আশুলিয়া থানায় ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন’ আইনে মামলা করেন।

অভিযোগটি উঠার পর থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিক্ষোভে উত্তাল।

প্রধান আসামি মোস্তাফিজুর রহমানকে পরদিন ভোরেই সাভার থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর গ্রেপ্তার হন সাব্বির হাসান, সাগর সিদ্দিকী এবং হাসানুজ্জামান। তাদেরকে গত ৪ ফেব্রুয়ারি তিন দিনের রিমান্ডে পায় পুলিশ। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদেরকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ মামলার আসামি সবাইকে বহিষ্কার করেছে।