১৫ দিনে বইমেলায় এসেছে ১৩২৬ নতুন বই

টিবিটি ডেস্ক
টিবিটি রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১১:১৩ এএম

বইমেলার আজ ১৫তম দিন। এই ১৫ দিনে নতুন বই এসেছে এক হাজার ৩২৬টি। শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বাংলা একাডেমির জনসংযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ বিভাগ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

এর মধ্যে আজ নতুন বই এসেছে ৯৭টি। যাতে গল্পের বই ১১টি, উপন্যাস ৮টি, প্রবন্ধ ১২টি এবং কবিতার বই ২৪টি।

শুক্রবার মেলার সময়সূচি ও কার্যক্রম

শুক্রবার মেলা শুরু হবে বেলা ১১টায় এবং চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত। এরমধ্যে দুপুর ১টা পর্যন্ত থাকবে শিশুপ্রহর।

শিশু-কিশোর আবৃত্তি প্রতিযোগিতা সকাল ১০টায় বইমেলার মূলমঞ্চে অমর একুশে শিশু-কিশোর আবৃত্তি প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

বিকেল ৪টায় বইমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে ‘স্মরণ: ব্রিগেডিয়ার (অব.) আব্দুল মালিক’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন হারিসুল হক। আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন ফজিলাতুন নেছা মালিক এবং এস এম মোস্তফা জামান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ।

আজ যা হয়েছে বইমেলায়

মেলা শুরু হয় বিকেল ৩টায় এবং চলে রাত ৯টা পর্যন্ত। এরমধ্যে বিকেল ৪টায় বইমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় স্মরণ: আবদুল হালিম বয়াতি শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জোবায়ের আবদুল্লাহ। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন মো. নিশানে হালিম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাইদুর রহমান বয়াতি।

প্রাবন্ধিক বলেন, বাংলাদেশের লোকসংগীতাঙ্গনে যেসব সাধক-ব্যক্তিত্ব নতুন ধারা প্রবর্তনে প্রবর্তকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন, মরমি সংগীতসাধক আবদুল হালিম বয়াতি তাদের অগ্রগণ্য। সংগীত সৃষ্টি, সুরারোপ এবং পরিবেশনার মাধ্যমে তিনি এদেশের শহর ও গ্রামাঞ্চলে সমান জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় তার বিচরণ অতি সামান্য হলেও সংগীত সাধনায় তিনি ছিলেন নিরলস ও উদ্যোগী।

সভাপতির বক্তব্যে সাইদুর রহমান বয়াতি বলেন, আবদুল হালিম বয়াতির মতো প্রতিভাবান সাধক কবি এদেশে বিরল। বাংলার লোকসংগীতের ইতিহাসে তার নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

আজ লেখক বলছি অনুষ্ঠানে নিজেদের নতুন বই নিয়ে আলোচনা করেন কথাসাহিত্যিক মাসুদুল হক, কবি ও সম্পাদক এজাজ ইউসুফী এবং গবেষক কাজী সামিও শীশ এবং শিশুসাহিত্যিক রুনা তাসমিনা।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ করেন কবি গোলাম কিবরিয়া প্রমুখ। আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তিশিল্পী এ বি এম রাশেদুল হাসান, শিরিন জাহান এবং তালুকদার মো. যোবায়ের আহম্মেদ টিপু।